ইফতার-সেহেরিতে চিনিযুক্ত শরবত পরিহার করা উচিত

রোজাদারদের দীর্ঘ সময় অভুক্ত থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে এবং পানিশূন্যতার কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। তাই ইফতার থেকে সেহেরি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করবেন। অনেকে পানির পরিবর্তে লেমন অথবা রোজ ওয়াটার, ফ্রুট ওয়াটার, নানা ধরনের শরবত, ভিটামিন ওয়াটারসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত পানীয় পান করেন।

এ ব্যাপারে বৈরুতের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউট্রিশনিস্ট ফারা নাজারের অভিমত: রোজাদারদের শুধুমাত্র বিশুদ্ধ পানি পান করাই ভালো। এই পুষ্টিবিদের মতে- কার্বোনেটেড ও সুগারি ড্রিংক থেকে চা ও কফির মতো শরীর থেকে অধিক পানি বের হয়ে যায়। তাই কার্বোনেটেড ও বেভারেজ ও সুগারি ড্রিংক বা নানা ধরনের শরবত পরিহার করা উচিত। এছাড়া কফি ও চায়ের ডাই-ইউরেটিক ইফেক্টের কারণে ইফতার ও সেহেরিতে চা-কফি পরিহার করা ভালো। অনেকে মনে করেন কফি পানে দ্রুত এনার্জি পাওয়া যায়। তবে ক্যাফেইনের প্রভাব দ্রুত কেটে যায় এবং তখন শরীর অত্যন্ত দুর্বল লাগে।

বিশেষজ্ঞদের মতে- রোজাদারদের প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল আহার করা উচিত। এতে শরীরে যেমন পানিশূন্যতা রোধ হবে তেমনি হজমেও সহায়ক হবে। তাই সুস্থভাবে রোজা পালনে প্রচুর পানি পান ও যথাযথ খাদ্য নির্বাচন করুন।

লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *